অপরাধ জগতের নতুন আতঙ্ক ‘কিশোর গ্যাং’ সাম্প্রতিক সময়ে অনেকটাই সামাজিক ব্যাধিতে রূপ নিয়েছে। তাদের তৎপরতায় অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হলেও ভয়ে অনেকে প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। এই কিশোর গ্যাংয়ের অনেক সদস্য আবার এলাকার প্রভাবশালীদের বখে যাওয়া কিশোর ছেলে। ফলে তারা অপ্রতিরোধ্য হয়ে পাড়া- মহল্লায় অলিতে গলিতে দল বেঁধে অবাধে চলাফেরা করে। বিশেষ করে সন্ধ্যা রাতে এদের সুবিধাজনক কোন জায়গায় আড্ডা দেয়। কখনো লাইডস্পিকারে গান বাঁজায়। চিৎকার চেচাঁমেচি করে। ইয়াবা সাপ্লাই করে, সেবন করে। ইভটিজিং, খুন, ধর্ষণ, হাঙ্গামা, পকেট মার, চুরি ডাকাতি, দোকানে ফাও খাওয়া, মাদক সেবন, যৌন হয়রানি থেকে শুরু করে এহেন কোন অপরাধ নাই যা তারা করে না। বয়স দেখলে বুঝার উপায় নেই
এদের সংঘটিত অপরাধ কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে। এরা যে কোনো তুচ্ছ ঘটনায় যে কারো ওপর চড়াও হতে পারে। এলাকার মধ্যে বলতে গেলে এরা এখন মূর্তিমান আতঙ্ক। এদের শাসন করতে গিয়ে এলাকার সম্মানিত মানুষও লাঞ্ছনার শিকার হয়। অন্যদিকে বয়সে কম হওয়ায় থেকে যাচ্ছে গ্রেফতারের বাইরে। এমনকি তাদের অপকর্ম চলমান থাকলেও স্থানীয় প্রশাসন উদাসীন বলে অভিযোগ রয়েছে। শুধু রাজধানী ঢাকাতেই নয়, সারাদেশের প্রত্যন্ত এলাকাতেও এখন কিশোর গ্যাং সক্রিয়৷ স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা বা বড় ভাই এদের ব্যবহার করেন বলে শুনা যায়। তাদের আশ্রয় প্রশ্রয়ে গ্যাংগুলো দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে৷ বর্তমান সময়ে কিশোর গ্যাংয়ের ভয়াবহতায় রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন, সমাজ বিজ্ঞানী, অভিভাবক মহল সহ সকলেই বেশ উদ্বিগ্ন, উৎকন্ঠিত।
বাংলাদেশে কিশোর গ্যাংয়ের সহিংসতা ও নির্মমতা মূলত আদনান হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে জনসম্মুখে উন্মোচিত হয়। ২০১৭ সালের ৬ জানুয়ারিতে উত্তরায় ডিসকো এবং নাইন স্টার গ্রুপের দ্বন্দ্বে নিহত হয় কিশোর আদনান কবির৷ তখন তিনটি গ্যাংয়ের (ডিসকো বয়েস, বিগবস্ ও নাইনস্টার) মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় আদনানকে ধারালো অস্ত্র ও হকিস্টিক দিয়ে আঘাত করে মারা হয়। তার পরের মাসে তেজকুনি পাড়ায় দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বে খুন হয় কিশোর আজিজুল হক৷ ঢাকার বাইরে থেকেও প্রায়ই কিশোর গ্যাং-এর দ্বন্দ্বে খুন খারাবির খবর পাওয়া যায়৷ ২০১৯ সালে বরগুনার নয়ন বন্ড তার ০০৭ গ্রুপ নিয়ে জনসম্মুখে রিফাত শরিফকে কুপিয়ে হত্যা করে৷ ঘটনাটি সেসময় বেশ আলোচিত হয়েছিল। একই বছরের ৯ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় দুই কিশোর গ্যাংয়ের বিরোধে নাঈম নামের এক কিশোরকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়৷ একই এলাকায় কিশোর গ্যাং- এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় গত বছরের ১ এপ্রিল শরিফ হোসেন নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়৷ গত বছরের ১ আগস্ট সিদ্ধিরগঞ্জের পাঠানটুলী এলাকায় আহাদ আলম শুভ মিয়া নামের এক যুবককে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। আর কদিন আগে ২০ জুন নারায়ণগঞ্জ সদরের তল্লা বড় মসজিদ এলাকার এক সহকারি শিক্ষকের বাড়িতে লুটপাট চালায় কিশোর গ্যাংয়ের একটি সংঘবদ্ধ চক্র। ডাকাতি করে নিয়ে যায় সবকিছু। যাওয়ার সময় ভাংচুর চালিয়ে সব লন্ডভন্ড করে দিয়ে যায়। অভিযোগ পাওয়া যায়, কিশোর গ্যাংয়ের এ চক্রটি এলাকায় রীতিমতো ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে কয়েকজন বড় ভাইয়ের ছত্রছাঁয়ায়। সন্ধ্যার পর এরা দল পাকায়, আড্ডা দেয়, ইয়াবা বিক্রি করে ও সেবন করে। গ্যাং সদস্যদের ভয়ে এলাকার মানুষ রীতিমতো আতঙ্কে থাকে। কেউ মুখ খুলে প্রতিবাদ করার সাহস পায় না।
কিশোর গ্যাং নিয়ে বলতে গেলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ছুফি উল্লাহ্ বলেন, “সাধারণত প্রতিটি কিশোর গ্যাংয়ের একটি নির্দিষ্ট নাম ও লোগো থাকে। তাদের মধ্যে সেই নাম ও লোগো নিজেদের শরীরে ট্যাটু অথবা দেয়ালে লিখনের প্রবণতা রয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এরা এলাকার বড় ভাইদের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রভাব বিস্তার করে। আধিপত্য ধরে রাখার চেষ্টা করে”। তিনি আরও জানান, এই গ্যাংয়ের আছে অদ্ভুত ও ভয়ঙ্কর সব নাম। একেকটি কিশোর গ্যাংয়ের নাম শুনলে অবাক হতে হয়। যেমন মাইরা-লা, কোপায়া দে, ইত্যাদি খুন খারাবি বা মারধরের ট্যাগযুক্ত নাম।” বর্তমানে সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও এদের প্রচার-প্রচারণা রয়েছে। এরা গ্যাং সদস্য হিসাবে গর্ববোধ করে ও পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। অনেক ক্ষেত্রে সদস্যদের একই রকমের জামা কাপড় পরার স্টাইল দেখা যায়। কাউকে নানা অলঙ্কার পরিধান করতেও দেখা যায়। এ ছাড়া আধিপত্য বিস্তারের জন্য তারা বিভিন্ন অস্ত্র যেমনঃ ছুরি, রামদা, হকিস্টিক, বন্দুক ইত্যাদি সংগ্রহে রাখে। পুলিশ ও র্যাব সূত্র বলছে, রাজধানীতে এ ধরনের ভয়ংকর কিশোর গ্যাংয়ের সংখ্যা ৭০থেকে ৭৮টি এবং সদস্য সংখ্যা ২ হাজারের বেশি। বেপরোয়া এই কিশোর গ্যাং সদস্যদের ধরতে পুলিশ ও র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।
কিশোর গ্যাং গড়ে উঠার পিছনে অনেকগুলো উপাদান কাজ করে। যেমনঃ নেতাও রাজনৈতিক ছত্রছাঁয়া, অস্ত্র ও মাদকের সহজলভ্যতা, সমাজ ব্যবস্থা, অর্থনৈতিক অবস্থা, পরিবার ও পারিবারিক শিক্ষা, শিক্ষক ও ক্লাসমেট, বন্ধু বান্ধবের সাহচার্য, সচেতনতা ও অজ্ঞতা, দৃষ্টিভঙ্গি, ব্যাক্তিগত ও ধর্মীয় মূল্যবোধের অভাব ইত্যাদি। কিশোর অপরাধের কারণ উল্লেখ করতে গিয়ে সমাজতন্ত্রের জনক কার্লমার্কস বলেছেন, কিশোর অপরাধসহ সব ধরনের অপরাধের মূলে রয়েছে অর্থনৈতিক প্রভাব। আবার প্রখ্যাত ব্রিটিশ ঐতিহাসিক আরনল্ড টয়েনবী অভিমত ব্যক্ত করেছেন যে, বর্তমানের ধর্মহীনতাই অন্যান্য অপরাধের ন্যায় কিশোর অপরাধের কারণ। সমাজবিজ্ঞানী হিলি এবং ব্রোনার কিশোর অপরাধের কারণ হিসেবে সামাজিক পরিবেশের প্রভাবকে চিহ্নিত করেছেন। আধুনিক অপরাধবিজ্ঞানের জনক সিজার লোমব্রোসো কিশোর অপরাধের কারণ হিসেবে জৈবিক প্রভাবকে দায়ী করেছেন। বিখ্যাত মনোবিজ্ঞানী সিগমুন্ড ফ্রয়েড কিশোর অপরাধের কারণ অনুসন্ধানে মানুষের মনোজগতের প্রতি অধিক গুরুত্ব দিয়েছেন।
পারিবারিক ও সামাজিক পরিবেশ অনেক ক্ষেত্রেই কিশোর গ্যাংয়ের পেছনে প্রত্যক্ষভাবে ভূমিকা রাখে। পারিবারিক বিশৃঙ্খলা অথবা বাবা মায়ের ডিভোর্সের কারণে ভেঙে যাওয়া পরিবারে সন্তানদের মাঝে হতাশা তৈরি হয়। আবার একাধিক বিবাহ এবং পারিবারিক অশান্তিও গ্যাং তৈরির কারণ হতে পারে। অনেক সময় বাবা-মা পারসোনাল স্পেসের নামে সন্তানদের আলাদা কক্ষ দিচ্ছেন এবং সেখানে তারা কী করছে তা খেয়ালও রাখছেন না। দেখা যায় পরিবারের কেউ গ্যাং সদস্য থাকলেও কিশোররা এ পথে আসতে উৎসাহিত হয়। আবার কখনো কখনো কর্মজীবী পিতা- মাতার পক্ষে সন্তানকে সময় দিতে না পারায় গ্যাং তৈরির মধ্য দিয়ে সন্তান একাকিত্ব ও হতাশা দূর করার চেষ্টা করে। আবার এরা উঠতি বয়সের পাড়ার ছেলেদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সিগারেট খাওয়া এবং সিগারেটের নেশা দেখা দিলে বাবা-মা থেকে টাকা না পেলে একদিন- দুদিন পর নানারকম অপকর্মে লিপ্ত হয়ে যায়। টাকা যোগাতে চুরি, ছিনতাই থেকে শুরু করে সবকিছুই করে পরিবারের অজান্তে। ধীরে ধীরে গ্যাংটা বড় হতে থাকে। বড়লোকের ছেলেরাও এসে জমা হতে থাকে। এমনকি মেয়েলি বিষয়, সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্ব থেকেও এদের মধ্যে প্রায়ই মারামারি হয়।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রভাব শিশু-কিশোরদের জীবনে অত্যন্ত গরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের জন্য গঠনমূলক চিত্তবিনোদন, খেলাধুলার সুযোগ- সুবিধা ও শিক্ষকদের নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গির অভাব, পাঠ্যক্রম ও শিক্ষা পদ্ধতি শিশু-কিশোরদের রুচি ও সামর্থ্য অনুপযোগী হলে তাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয় এবং তারা নানা অপরাধমূলক আচরণে জড়িয়ে পড়ে। তাছাড়া ক্রমাগত শিক্ষকের বঞ্চনা, খারাপ ফলাফল, সহপাঠী দ্বারা বিদ্রুপের শিকার হয়ে হতাশা থেকে পরে কিশোর গ্যাংয়ে যোগদানের প্রবণতা তৈরি হতে পারে। আবার সহপাঠী যদি অপরাধী চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকে কিংবা মাদক সেবনের প্রবণতা থাকে বা মাদকের সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত থাকে তাহলে কিশোর গ্যাংয়ে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার শহরে কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণের জন্য আঠারো শতকের শেষের দিকে স্যালফোর্ড ল্যাডস ক্লাব নামে ফুটবল ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেছিল গ্রোভস্ পরিবার। আজ যার বিশ্বব্যাপী পরিচয় ম্যানচেস্টার সিটি ফুটবল ক্লাব নামে। রবার্ট ব্যাডেন পাওয়েল যিনি স্কাউট আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা তার হাত ধরেই এ ক্লাব সামনে এগিয়ে গিয়েছিল। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করা প্রয়োজন তা হলো এক সময় এদেশের আনাচে কানাচে অনেক মাঠ ছিল। খালি জায়গা ছিল। যেখানে ছেলেরা খেলাধুলা নিয়ে মাঠে পরে থাকতো। সাহিত্য ও সংস্কৃত চর্চা করতো। যার ফলে মাদক বা অন্যকোন খারাপ নেশা বা খারাপ ছেলের সাথে মিশার সুযোগ হতো না। কিন্তু বর্তমানে প্রয়োজনে হোক বা অপ্রয়োজনে হোক সেইসব মাঠ মাটি ভরাট করে ফেলা হয়েছে। বা দখল হয়ে গেছে। মানণীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা সত্বেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠগুলো ভরে ফেলা হচ্ছে। এতে করে খেলাধুলার সুযোগ না পেয়ে শিশু কিশোররা নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। জড়িত হয়ে পড়ছে কিশোর গ্যাংয়ের সাথে। শিশু- কিশোরদের সৃজনশীল কাজের পরিবেশ তৈরি করে উন্নয়নমূলক কাজের দিকে আগ্রহী করে তুলতে পারলে বাংলাদেশেও কিশোর গ্যাং নামক দুঃস্বপ্নের আধিপত্য কমে যাবে বলে অনেকেই মনে করেন।
কিশোর অপরাধের ভয়াবহতা উপলব্ধি করে আমাদের সকলের উচিত কিশোরদের অন্ধকার থেকে আলোর জগতে ফিরিয়ে আনা। কিশোর অপরাধ মোকাবিলায় কিশোরদের সুষ্ঠু আবেগীয় ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে যত্নবান হতে হবে। সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র শিশু কিশোরদের জন্য সুশিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। শিশু-কিশোরদের মানসিক বিকাশ এবং সন্তানের ভালোলাগার ও মন্দলাগাকে প্রাধান্যের দিকে পিতামাতাকে বিশেষ নজর রাখতে হবে। কিশোরের সুষ্ঠু সামাজিকীকরণের জন্য গঠনমূলক পারিবারিক, সামাজিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। দেশে পর্যাপ্ত কিশোর সচেতনতামূলক লেখা, প্রবন্ধ, সাময়িকী এবং অপরাধ সংশোধন কেন্দ্র গড়ে তুলতে হবে।
পাশাপাশি দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও এগিয়ে আসতে হবে। গ্যাং সম্পর্কে নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ করে ডাটা বেইজ তৈরি করতে পারলে এ সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সম্ভব। যেসব স্থানে গ্যাং সদস্যরা আড্ডা দেয় সেসব জায়গায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সরব উপস্থিতি থাকতে হবে। সেই সাথে স্বজনপ্রীতি বাদ দিয়ে এসব গ্যাংয়ের পৃষ্ঠপোষক ও নিয়ন্ত্রকদের আইনের আওতায় আনতে হবে। দেশের জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ ও সচেতন করতে হবে। অন্যদিকে সমাজের মানুষকেও সম্মিলিতভাবে কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে এগিয়ে আসতে হবে। পিতামাতার উচিত প্রত্যেক ছেলেমেয়েকে উঠতি বয়সে নজরে রাখা। তারা কী করছে কার সাথে মিশছে। কোথায় যাচ্ছে। সব সময় খোঁজ খবর রাখা এবং তাদের সঙ্গে বন্ধুর মতো মিশে সময় দেওয়া। আর সব চেয়ে বড় কথা হলো সন্তানকে নিজ নিজ ধর্মীয় অনুশাসন ও রীতিনীতি অনুযায়ী বড় করতে হবে, সেই সাথে পারিবারিক মূল্যবোধ এবং জবাবদিহিতার মধ্যে রাখতে হবে। তাহলেই দেশের মূর্তিমান আতঙ্ক কিশোর গ্যাং বা কিশোর অপরাধ অনেকাংশেই কমে আসবে বলে আশা করা যায়।
আপনার মতামত লিখুন :